রাত ৪:২১ | ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ শুক্রবার হেমন্তকাল | ৩০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং
Smiley face
বাংলা চলচ্চিত্র ২০২০-০১-০৮
fdc-bangla cholochitra

শেয়ার করুন

বাংলা চলচ্চিত্র/চলচ্চিত্র খবরঃ

 

ঢালিউডের ক্রান্তিকাল শেষ হচ্ছে না। চলচ্চিত্রের অন্য সংগঠনগুলো ধরেই নিয়েছিল, প্রযোজক পরিবেশক সমিতি ঘুরে দাঁড়াতে পারলে ঢালিউডের পরিস্থিতি বদলাবে।

দীর্ঘদিন সমিতির নির্বাচন না হওয়া, নির্বাচিত কমিটি না থাকার কারণেই চলচ্চিত্রের এই অবস্থা।

তাদের ধারণা, নির্বাচিত কমিটি এলেই চলচ্চিত্র নির্মাণ বাড়বে, ভালো ভালো ছবি তৈরি শুরু হবে।

প্রায় সাত বছর পর সমিতির নির্বাচন হলো গতবছর ২৭ জুলাই। দুজন সহযোগী সদস্যসহ ২১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে।

পিছিয়ে পড়া ঢালিউড নিয়ে নতুনভাবে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন চলচ্চিত্রের মানুষেরা। কিন্তু প্রায় ছয় মাস হতে চলল, প্রযোজক পরিবেশক সমিতি কতটুকু ভূমিকা রাখল?

গত সাত বছর প্রায় অভিভাবকহীন ছিল ঢালিউড।

শিল্পী, কলাকুশলীদের পারিশ্রমিক, শুটিংয়ের সময়সীমা, শুটিং চলাকালীন সেটে অনিয়মের মধ্যে সিনেমার কাজ হয়ে আসছিল।

এতে লাখ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে প্রযোজকদের। কিন্তু কিছুকিছু ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে পরিবর্তনের চেষ্টা চালিয়েছে সংগঠন।

আগে প্রেক্ষাগৃহে যন্ত্র ভাড়া বাবদ ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা প্রযোজককে দিতে হতো। সেটা বন্ধ করে এখন শুধু কনটেন্টের ভাড়া হিসেবে ২ থেকে ৪ হাজার টাকা দেওয়ার নিয়ম করা হয়েছে।

এ ছাড়া সিনেমা হলের কর আগেই মওকুফ করেছিল সরকার।

তবু কোনো কোনো প্রেক্ষাগৃহ প্রযোজকের কাছ থেকে টাকা নিত। অল্প কিছু প্রেক্ষাগৃহ বাদে বাকিদের সেই টাকা নেওয়া বন্ধ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম বলেন, ‘সিনেমার সব বিশৃঙ্খলা রুখতে সবকিছুকে একটি নিয়মের মধ্যে আনতে চেয়েছি।

এ জন্য চলচ্চিত্রের সব সংগঠনের মতামত নিয়ে “চলচ্চিত্র নির্মাণ সংক্রান্ত নীতিমালা” তৈরি করেছি। দুই মাস ধরে সেভাবেই ছবির শুটিং চলছে।

পাশাপাশি হলের মেশিন ভাড়া বন্ধ করেছি, প্রযোজকের কাছ থেকে হল মালিকের অন্যায়ভাবে কর নেওয়া বন্ধ করেছি।

এই কাজগুলোর পাশাপাশি সমিতির সদস্যরা কি নতুন ছবি নির্মাণ শুরু করেছেন?

নতুন কমিটির কোনো সদস্যই গত ছয় মাসে একটি ছবিও নির্মাণে যুক্ত হননি।

শামসুল আলম বলেন, ‘বছরের শুরুতে “নতুন মুখের সন্ধান” প্রতিযোগিতার কার্যক্রম শুরু হবে।

এই প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নিয়ে আমরা কমিটির ১০ জন সদস্য ১০টি ছবির ঘোষণা দেব।

আশা করছি ২০২০ সালের মধ্যেই সেটা সম্ভব হবে।’ সমিতির কোষাধ্যক্ষ মেহেদী হাসান বলেন, ‘সমিতিতে যাঁরা আছেন, সবাই পেশাদার প্রযোজক। দীর্ঘদিনের বিশৃঙ্খলা দূর করার চেষ্টা করছি আমরা। এরই মধ্যে কিছু কাজে সফল হয়েছি। সবকিছু ঠিকঠাক করেই প্রযোজনায় নামব।

এদিকে ছবির নির্মাণ বাড়াতে ছবি বানালেই সমিতির সদস্যপদ দেওয়ার সুবিধা চালু করেছে প্রযোজক পরিবেশক সমিতি।

আগামী ছয় মাসের মধ্যে নতুন ছবির সেন্সর ছাড়পত্র দেখালেই মাত্র ১১ হাজার টাকায় নতুন সদস্যপদ দেওয়া হবে। আগে যেখানে সদস্যপদ পেতে দরকার হতো ১ লাখ ৩ হাজার টাকা।

প্রযোজক পরিবেশক সমিতি বলছে, এ ঘোষণা দেওয়া হলে অনেকগুলো আবেদন জমা পড়ে। সেখান থেকে শুরুতে ১০ ও পরে আরও ৭ জনকে এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

তবে এই সুযোগ পাওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে নতুন ছবির সেন্সর ছাড়পত্র যাঁরা দেখাতে পারবেন না, তাঁদের সমিতির সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে বলে জানান শামসুল আলম।

 

বাংলা চলচ্চিত্র/banglacholochitra/চলচ্চিত্র খবর, সুত্র- প্রথম আলো অনলাইন, ছবি- সংগৃহীত।

Leave a comment.

Your email address will not be published. Required fields are marked*